Monday, June 4, 2012

Unbelievable LOVE!

I killed my lover Susmita Rumi. After killed her lifeless body move to bathroom.   
And the every joint divided from her body. Then with a knife from the meat off the bones assume. The pieces of her body the findings of Flash. With the gap outside window. But I do not out her head with window spacing. The two sides of the head and cut hair. Divided her face from head. Her eyes divide from head. It may be that the dead do not recognize. To cut to the dead and missing after the murder lover description of the killer said Saidujjaman Bachchoo alias. He called his office Friday Susmita alias Rumi lover come to torture and kill. The metropolitan detective police remand for 10 days, the court granted a 4-day remand of the case.Remembrance of the horrific and ghastly killing the ringleader in the Dhaka Metropolitan Police Saidujjaman cells appeared in the media. 30-year-old man with a 18-year-old girl Rumi here to describe. That the killing of journalists and police officers face Bachchoo to hang. But the reaction could Bachchoo. He candidly described the events to have. The ship carried a knife with him to cut his girlfriend's body. Bachchoo say, when I was 8 at the office Rumi Entering the room, some people follow the market. At 8 at the door of my room in the design, I entered the room I use. If you do not give the marriage. I read up on the neck to kill it rumike fear. The survival time for him to try. But the power he did so. His lifeless body was taken out when I think should not be here. So I cut and cut. Bones from the meat out of the Flash kamode issued. Naribhumrisaha kamode other organs of the Flash.Bachchoo say, two years ago mobile phones were introduced Sushmita rumi alias. I love. A year ago, he met with the rumira. I purchased a mobile phone rumike issued. More rumira have two sisters. They serve the garmentase. People come in rumi. Around him to me last Friday. I hover around the 13 sub-offices to go to my Nahar Plaza. Going from bottom to top, but at Nahar Plaza mastana sththaniya some of our stand. After locking the door from the outside of the office room access. Be visible from outside the room to close the door Bachchoo can understand. The people at the door opase, then the marriage will be pariye. But I am very frightened. After my physical relationship with the access rumira office. I understand that when we read the enclosed rumike I killed it by the throat. Then we cut to a dead secret. Bachchoo say, I thought I was haragora not recognize. I say, my room was not a girl. The water line is closed, it is becoming anyarume blood I do not understand. Why do not they go away - even if the question is Bachchoo, but I doubt if he fled. I like to aphisei. Why did I kill premikake - Bachchoo to the fear that I have read up on. We cut to a dead secret. The worst punishment you could be killing you - even if the question Bachchoo say what the punishment will be, I do not know. Bachchoo of the night at 8 PM last night in the murder to try to remove all trace of them. His claim, rumike kill everything from the days when he was alone in the fragment. I was not with anyone.Some trace of the local police to collect intelligence on hatyakande. The - here are used to cut two sharp bamti, a knife. The blood is used to remove the towel and killed * Password paranera clothes - the clothes have been recovered.The media center, metropolitan police detective police deputy commissioner Monirul Islam said Saturday evening after her arrest, is widely questioned. First, we examine the incident, but I do not agree to accept the adyopanta events. Monirul Islam, said he was questioned about it, the fact that the cold affected. It may be that he parikalpitabhabeo. Baby girl on torture before he runs. Why did the girl was brought to Monirul said, we know that the girl coming from a character certificate from the Chairman enechila. Job was to lure him to be brought. She was pregnant again, there may be. Baccuke the wedding pressure. The move may have Bachchoo him. Sign in with him to be interrogated. Violence against women in the child restraint law has been the case. Senior police officer, a detective investigating the case, said Assistant Police Commissioner sahidullaha, or whether he was involved with someone who has provoked him to verify that someone is trying to hatyakande. Cold blooded killer, he also planned to determine whether the changes. He has no criminal record of the past is over. Police, The girl is brutally murdered by the name of rumi. His father's name saddama Fakir. The villages of Faridpur district police kajiparaya alaphadanga. Bakasicamdapura Faridpur district and village heads saidujjamana Bachchoo villages. In business he is saidujjamana tyurasa and Travels. Nahar Plaza hatirapulera aphisatii had come home office. That was 5 years have thikanatei. 6 of his brother - sister was not even communicate with the family. Bachchoo Office Nahar Plaza No. 13, 1308 under sub. His side of the room in a 1309 advertising agency. The owner of the dwelling by manabajaminake office, the office, but never did I talk with her. When he was out of office when dhukato not totally understand it. I think the mystery of his behavior. Another computer Nahar Plaza Book shop owner, said his office had often yeto Bachchoo. The traders on the market was dead. Nahar Plaza iliyasa the market, said he had complained about the many other businesses. He ghumato aphisei night. His office was in thakato Books Movies on people.On a 26 piece of dead young hatirapula from the police. Saturday evening arrested the boyfriend killer Saidujjaman.The sister of Susmita said that  I do not have a family. I give my 5 brothers and sister Rumi 1 month before the garments work.  Mirpur Dhaka slums have started with a big sister. Friday evening after work, come back to the slums rumi and his sister jasmine barrier. When a call comes in to his mobile phone. We been in five minutes' away from the house of Rumi. I come back. Rumira big sister, jasmine, and a year ago, when the lance rumi Faridpur villages with the identity of a child. The two people in the mobile phone business. He. I do not return his phone after getting out of the mobile phone and fetch rumira. Receive a phone call to his son. The adherents of the adherents. Rumira talk to the phone cut off. I thought we were. Saturday, the police go around to various places. One police officer said all of that DB, found a ship. Whether you see your sister. Another official said, some haddi found here. Togs to be recognized. Buy kannajarita voice sirina rumira mother said the boy was allowed to speak. But he was the son of the phone and disturbing. A phone call to my daughter's murder. Four sisters, one brother was third in the rumi. Rumira father was a laborer. Mirpur 7 - The calantika club had to rent a room adjacent to the jhilapara slums.

এই নিউজটি বাংলায় পড়ার জন্য নিচে ক্লিক করেন

 নিষ্ঠুর প্রেম

রুমিকে গলা টিপে হত্যা করার পর লাশ বাথরুমে নিয়ে যাই। সেখানে বঁটি দিয়ে শরীরের সবগুলো জয়েন্ট আলাদা করে ফেলি। এরপর ছুরি দিয়ে হাড় থেকে মাংস খুলে নিই। মাংসগুলো কমোডে ফেলে ফ্লাশ করে দিই। হাড়গুলো গ্রিলের ফাঁক দিয়ে বাইরে ফেলে দিই। কিন্তু মাথাটি গ্রিলের ফাঁক দিয়ে ঢুকছিল না। তখন মাথার দুই দিক কেটে সরু করি। মুখের চামড়া উপড়ে ফেলি। চোখ তুলে নিই। যাতে কেউ লাশ চিনতে না পারে। প্রেমিকাকে হত্যার পর লাশ গুম করতে টুকরা টুকরা করার এমন লোমহর্ষক বর্ণনা দিয়েছে ঘাতক সাইদুজ্জামান ওরফে বাচ্চু। শুক্রবার প্রেমিকা রুমি ওরফে সুস্মিতাকে সে নিজের অফিসে ডেকে নিয়ে এসে নির্যাতন চালানোর পর হত্যা করে। বাচ্চুকে ৪ দিনের রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। গতকাল মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে তাকে আদালতে হাজির করলে ৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত।
স্মরণকালের ভয়ঙ্কর ও বীভৎস এ হত্যাকাণ্ডের হোতা সাইদুজ্জামান বাচ্চুকে গতকাল সকালে ঢাকা মহানগর পুলিশের মিডিয়া সেলে হাজির করা হয়। ৩০ বছর বয়সী যুবক বাচ্চু সাংবাদিকদের সামনে ১৮ বছর বয়সী তরুণী রুনিকে খুন করার লোমহর্ষক বর্ণনা দেয়। বাচ্চুর মুখে হত্যাকাণ্ডের বর্ণনা শুনে উপস্থিত সাংবাদিক ও পুলিশ কর্মকর্তারা স্তব্ধ হয়ে যান। কিন্তু বাচ্চুর মধ্যে কোন প্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি। সে অকপটে ঘটনার বর্ণনা দিতে থাকে। বলতে থাকে লাশ গুম করার জন্য প্রেমিকার মৃতদেহটি ছুরি দিয়ে টুকরা টুকরা করে সে। বাচ্চু বলে, রাত ৮টার দিকে রুমি যখন আমার অফিস রুমে ঢোকে তখন মার্কেটের কয়েকজন লোক ফলো করে। সাড়ে ৮টার দিকে আমার রুমের দরজায় নক করে বলে, তোমার রুমে মেয়ে ঢুকেছে বের করো। না হলে তোমার সঙ্গে বিয়ে দিয়ে দেবো। আমি ধরা পড়ার ভয়ে রুমিকে প্রথমে গলা টিপে হত্যা করি। এ সময় সে বাঁচার জন্য চেষ্টা করে। কিন্তু শক্তিতে সে পেরে ওঠেনি। তার দেহ নিস্তেজ হয়ে গেলে আমি চিন্তা করি লাশ নিয়ে বাইরে বের হওয়া যাবে না। তাই কেটে টুকরা টুকরা করি। হাড় থেকে মাংস খুলে নিয়ে কমোডে ফেলে ফ্লাশ করে দিই। নাড়িভুঁড়িসহ অন্য অঙ্গগুলোও কমোডে ফেলে ফ্লাশ করি।
বাচ্চু বলে, দুই বছর আগে মোবাইল ফোনে রুমি ওরফে সুস্মিতার সঙ্গে পরিচয় হয়। এরপর প্রেম। এক বছর আগে রুমির সঙ্গে তার দেখা হয়। তখন রুমিকে একটি মোবাইল ফোন কিনে দিই। মিরপুরে রুমির দুই বোন থাকে। তারা গার্মেন্টসে চাকরি করে। কিছুদিন আগে রুমি  ঢাকায় আসে। গত শুক্রবার তাকে নিয়ে ঘুরতে বের হই।  নানা জায়গায় ঘোরাফেরার পর আমি তাকে আমার নাহার প্লাজার ১৩ তলার অফিসের নিয়ে যাই। কিন্তু নাহার প্লাজার নিচ থেকে ওপরে ওঠার সময়ে স্থ্থানীয় কিছু মাস্তান আমাদের পিছু নেয়। অফিস কক্ষে ঢোকার পর বাইরে থেকে দরজা আটকে দেয় তারা। কক্ষ থেকে বের হতে গেলে বাচ্চু বুঝতে পারে দরজা বাইরে থেকে বন্ধ। এসময় দরজার ওপাশে থাকা লোকজন বলে, বের হলেই বিয়ে পড়িয়ে দেয়া হবে। এতে আমি ভীষণ ভয় পেয়ে যাই। অফিসে ঢোকার পর রুমির সঙ্গে আমার দৈহিক সম্পর্ক হয়। এরপর যখন বুঝতে পারি আমরা আটকা পড়েছি তখন আমি রুমিকে গলা টিপে হত্যা করি। এরপর লাশ গুম করার জন্য টুকরা টুকরা করি। বাচ্চু বলে, আমি ভেবেছিলাম হাড়গোড় দেখে কেউ চিনতে পারবে না। সবাইকে বলবো, আমার রুমে কোন মেয়ে ছিল না। কিন্তু পানির লাইন বন্ধ হয়ে যে অন্যরুমে রক্ত ভেসে উঠছে তা বুঝতে পারিনি। পালিয়ে গেলেন না কেন- এমন প্রশ্ন করা হলে বাচ্চু বলে, পালিয়ে গেলে সবাই আমার প্রতি সন্দেহ করতো। তাই অফিসেই থেকে গেছি।  প্রেমিকাকে এভাবে কেন হত্যা করলেন- জানতে চাইলে বাচ্চু বলেন, ধরা পড়ার ভয়ে এসব করেছি। লাশ গুম করার জন্য টুকরা টুকরা করেছি। এমন জঘন্য হত্যাকাণ্ডের শাস্তি কি হতে পারে জানেন- এমন প্রশ্ন করা হলে বাচ্চু বলে, কি শাস্তি হবে আমি জানি না। বাচ্চু দাবি করে, রাত সাড়ে ৮টা থেকে শেষ রাতের মধ্যে সে খুনের সব আলামত মুছে ফেলার চেষ্টা করে। তার দাবি, রুমিকে হত্যা থেকে শুরু করে লাশ টুকরা টুকরা করার সব কিছুই সে একাই করে। আর কেউ তার সঙ্গে ছিল না।
গোয়েন্দা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত বেশ কিছু আলামত সংগ্রহ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে- লাশ টুকরা করার কাজে ব্যবহৃত দু’টি ধারালো বঁটি, একটি ছুরি। এছাড়া রক্ত মুছে ফেলার কাজে ব্যবহৃত তোয়ালে ও নিহত তরুণীর পরনের জামা-কাপড় উদ্ধার করা হয়েছে।
গতকাল মহানগর পুলিশের মিডিয়া সেন্টারে গোয়েন্দা পুলিশের উপ-কমিশনার মনিরুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, শনিবার সন্ধ্যায় তাকে গ্রেপ্তারের পর ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। প্রথমে সে ঘটনার কথা স্বীকার না করলেও পরে জেরার মুখে ঘটনার আদ্যোপান্ত স্বীকার করে। মনিরুল ইসলাম বলেন, তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে আমাদের মনে হয়েছে, ঘটনাটি সে ঠাণ্ডা মাথায় ঘটিয়েছে। এটি সে পরিকল্পিতভাবেও করে থাকতে পারে। হত্যার আগে সে মেয়েটির ওপর নির্যাতন চালায়। কেন সেখানে মেয়েটিকে আনা হয়েছিল জানতে চাইলে মনিরুল ইসলাম বলেন, আমরা জানতে পেরেছি মেয়েটি বাড়ি থেকে আসার সময় স্থানীয় চেয়ারম্যানের কাছ থেকে একটি চারিত্রিক সনদ এনেছিল। হতে পারে তাকে চাকরি দেয়ার প্রলোভন দিয়ে আনা হয়েছিল। আবার এমনও হতে পারে মেয়েটি গর্ভবতী ছিল। বাচ্চুকে সে বিয়ের চাপ দিয়েছিল। এ কারণেই বাচ্চু তাকে সরিয়ে দিয়ে থাকতে পারে। রিমান্ডে নিয়ে তাকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। এ বিষয়ে নারী শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করা হয়েছে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশের সিনিয়র সহকারী পুলিশ কমিশনার শহিদুল্লাহ বলেন, তার সঙ্গে আর কেউ জড়িত ছিল কিনা বা তাকে হত্যাকাণ্ডে কেউ প্ররোচিত করেছে কিনা তা জানার চেষ্টা করছি। তাছাড়া সে ঠাণ্ডা মাথায় পরিকল্পিত ঘাতক কিনা জানার চেষ্টা করা হচ্ছে। তার অতীত কোন অপরাধের রেকর্ড আছে কিনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশ জানিয়েছে, নির্মমভাবে খুন হওয়া মেয়েটির নাম রুমি। তার পিতার নাম সাদ্দাম ফকির। তার গ্রামের বাড়ি ফরিদপুর জেলার আলফাডাঙ্গা থানার কাজীপাড়ায়। আর ঘাতক সাইদুজ্জামান বাচ্চুর গ্রামের বাড়ি ফরিদপুর জেলার বকশিচাঁদপুর গ্রামে। সাইদুজ্জামান মূলত ঢাকায় ট্যুরস অ্যান্ড ট্রাভেলসের ব্যবসা করতো। হাতিরপুলের নাহার প্লাজার অফিসটিই ছিল তার বাসা কাম অফিস। ওই ঠিকানাতেই সে ৫ বছর ধরে থাকে। গ্রামে তার ৬ ভাই-বোন থাকলেও পরিবারের সঙ্গে কোন যোগাযোগ ছিল না। বাচ্চুর অফিসটি নাহার প্লাজার ১৩ তলার ১৩০৮নং কক্ষে। তার পাশের ১৩০৯নং কক্ষটি একটি বিজ্ঞাপনী সংস্থার। অফিসের মালিক অয়ন আহমেদ মানবজমিনকে বলেন, পাশাপাশি অফিস হলেও কোনদিন আমার সঙ্গে তার কথা হয়নি। সে কখন অফিসে ঢুকতো কখন বের হতো কিছুই বুঝতে পারতাম না। তার আচরণ আমার কাছে রহস্যজনক মনে হতো। নাহার প্লাজার আরেকটি কম্পিউটার দোকানের মালিক জয়নুল আবেদীন বলেন, মাঝে মাঝেই মেয়ে নিয়ে অফিসে যেতো বাচ্চু। এ নিয়ে মার্কেটের ব্যবসায়ীরা তার ওপর ক্ষুব্ধ ছিল। নাহার প্লাজা মার্কেটের সভাপতি ইলিয়াস বলেন, তার বিষয়ে অন্য ব্যবসায়ীদের অনেক অভিযোগ ছিল। অফিসেই সে রাতে ঘুমাতো। তার অফিসে রাতেও মেয়ে মানুষ থাকতো বলে অভিযোগ ছিল।
শনিবার রাজধানীর হাতিরপুল থেকে এক তরুণীর ২৬ টুকরো লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। শনিবার সন্ধ্যায় গ্রেপ্তার করা হয় ঘাতক প্রেমিক সাইদুজ্জামান ওরফে বাচ্চুকে। 
মা ঝিয়ের কাজ করে। সংসার চলে না। তাই ৫ ভাই বোনের সংসারের হাল ধরতে ১ মাস আগে গার্মেন্টসে কাজ নেয় রুমি। সে চেয়েছিল সংসারের অভাব ঘোচাতে। বড় বোনের সঙ্গে ঢাকার মিরপুরের একটি বস্তিতে থাকতে শুরু করে। শুক্রবার সন্ধ্যায় কাজ শেষে বস্তিতে ফিরে আসে রুমি ও তার বেড় বোন জেসমিন। এ সময় তার মোবাইল ফোনে একটি কল আসে। ‘পাঁচ মিনিটের মধ্যে আসছি’ বলে ঘর থেকে বেরিয়ে যায় রুমি। আর ফিরে আসেনি। রুমির বড় বোন জেসমিন বলেন, এক বছর আগে লঞ্চে ফরিদপুরে গ্রামের বাড়ি যাওয়ার সময় রুমির সঙ্গে একটি ছেলের পরিচয় হয়। তাদের দু’জনের মাঝে মধ্যে মোবাইল ফোনে কথা হতো। ওই ছেলেটিই তাকে সময়ে অসময়ে ফোন করতো। তার ফোন পেয়ে বেরিয়ে যাওয়ার পর রাতে ফিরে না আসায় রুমির মোবাইলে ফোন করি। একটি ছেলে তার ফোন রিসিভ করে। সে একেক সময় একেক কথা বলে। রুমির সঙ্গে কথা বলতে চাইলে ফোন কেটে দেয়। এরপর আমরা চিন্তায় ছিলাম। শনিবার নানা জায়গায় ঘুরে পুলিশের কাছে যাই। সব বর্ণনা শুনে ডিবি পুলিশের এক অফিসার বলেন, একটা লাশ পাওয়া গেছে। সেটা তোমার বোনের কিনা দেখ। আরেক কর্মকর্তা বলেন, লাশ না কিছু হাড্ডি পাওয়া গেছে। কাপড়-চোপড় দেখে চিনতে হবে। রুমির মা শিরিনা বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ওই ছেলের সঙ্গে কথা বলতে নিষেধ করেছিলাম। কিন্তু ওই ছেলে ফোন করে বিরক্ত করতো। সেই ফোন করে আমার মেয়েকে ডেকে নিয়ে খুন করলো। চার বোন এক ভাইয়ের মধ্যে রুমি ছিল তৃতীয়। রুমির পিতা ছিলেন  দিনমজুর। মিরপুর ৭-এর চলন্তিকা ক্লাব সংলগ্ন ঝিলপাড় বস্তিতে একটি রুম ভাড়া নিয়েছিল তারা।  

পরিবারের আহাজারি:  গতকাল সরজমিন রুমিদের বাড়ি গেলে দেখা যায়, পরিবারে চলছে শোকের মাতম। রুমির ছোট বোন যমুনা বাকরুদ্ধ। মেয়ের লাশ পাওয়ার খবর পেয়ে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন রুমির মা শিরিনা বেগম। রুমির পিতা সাদ্দাম হোসেন কয়েক বছর আগে মারা গেছেন। ঝিয়ের কাজ করে ৫ ছেলে মেয়ের সংসার চালান রুমির মা। বছর দুই আগে বড় মেয়ে জেসমিনের বিয়ে হয়। মেয়ে-জামাই ঢাকায় গার্মেন্টসে চাকরি নেয়। রুমিও প্রায় ১ মাস আগে ঢাকায় গিয়ে গার্মেন্টসে চাকরি নেয়। প্রতিবেশীরা জানায়, অভাবের সংসারে বড় সাদাসিদা রুমি গ্রামে কাজী আমেনা ওয়াহেদ উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ শ্রেণী পর্যন্ত পড়ালেখা করেছে। শনিবার আলফাডাঙ্গা থানা পুলিশ রুমির নির্মমভাবে খুন হওয়ার খবর নিয়ে আসে তাদের বাড়িতে।